1. royelllab@gmail.com : admin : কালের চাকা ডেক্স :
  2. kashiani09@gmail.com : Uzir Poros : Uzir Poros
  3. newsdex@kalerchaka.com : নিউজ ডেক্স : নিউজ ডেক্স
  4. shaonbsl71@gmail.com : Shaharia Nazim Shaon Staff Reporter : Shaharia Nazim Shaon Staff Reporter
  5. soykatsn@gmail.com : Soykat Mahmud : Soykat Mahmud
  6. kcnewsdesk@kalerchaka.com : কালের চাকা ডেস্ক 2 : কালের চাকা ডেস্ক 2
  7. hksopno51@gmail.com : Shopno Mahmud : Shopno Mahmud
  8. demo@gmail.com : demo demo : demo demo
  9. editorparosh@gmail.com : editor parosh : editor parosh
  10. adminx@gmail.com : admin admin : admin admin
  11. admin@kalercchaka.com : admin Admin : admin Admin
  12. info@breakignews.com : Br ki : Br ki
  13. newsroom@kalerchaka.com : News Room : News Room
  14. niloykustia@kalerchaka.com : Niloy Rasul : Niloy Rasul
  15. info@pressengine.xyz : Press engine : Press engine
  16. royel.oe@gmail.com : Shakil Shakil : Shakil Shakil
  17. subadmin@dtmti.com : subadmin subadmin : subadmin subadmin
বৃহস্পতিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিস :
দৈনিক "কালের চাকা" পত্রিকার সকল স্টাফ, সম্পাদক পরিষদ সহ সকল লেখক, পাঠক, বিঞ্জাপনদাতা, এজেন্ট, হকার ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে দৈনিক কালের চাকা পত্রিকার লোগো পাল্টানো হয়েছে আপনার আজ থেকে কালের চাকা সংশ্লিস্ট সকল জায়গায় নতুন লোগো দেখতে পারবেন শুভেচ্ছান্তে - সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক কালের চাকা

করোনার চেয়ে বড় আতঙ্ক ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল!

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২০
  • ১৪২৩৮৫৭ নিউজটি দেথা হয়েছে

করোনাভাইরাসের কারণে দেশজুড়ে চলছিল লকডাউন। কোভিড আক্রান্তের তালিকায় আলফাডাঙ্গা বা বোয়ালমারীতে ও ২ উপজেলা রয়েছে শীর্ষে। কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের আধিক্যের কারণে ভাইরাসটির বিস্তার ঠেকাতে লকডাউন চলছিলো ২ উপজেলা জুড়ে। বন্ধ ছিল জরুরি সেবার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

ফলে বেকার হয়ে পড়েছে অধিকাংশ মানুষ। উচ্চবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত কেউই বাদ পড়েননি এ ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট ধকল থেকে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের জীবনযাপনের একমাত্র সম্বল হয়ে পড়েছে ত্রাণ। খেয়ে না খেয়ে কোন রকম দিন পার করছেন তারা।কিন্তু তাতে কি যায় আসে বোয়ালমারী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের। ঘরে বসেই আন্দাজে মিটার রিডিং বসিয়ে গ্রাহকদের তৈরি করছে মিটার রিডাররা, আর আন্দাজি সেই বিলে সই করে বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছেন কর্মকর্তারা। 

আর এই মহামারীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভিযোগ দিতে গিয়ে কর্মকর্তাদের নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা।

এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। দুর্যোগের মধ্যে বিভিন্ন সেবা সংস্থা যেখানে বিলম্ব ফি মওকুফ করে গ্রাহকদের নানা ধরনের সুবিধা দেয়ার কথা ভাবছে ঠিক সেসময় ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও খাম খেয়ালিপনা অতিষ্ঠ করে তুলেছে এলাকার হাযার হাজার গ্রাহককে। 


গ্রাহকদের অভিযোগ মিটার রিডাররা গ্রাহকের বাড়ি কিংবা বাসায় না গিয়ে অফিসে বসে আন্দাজ নির্ভর বিদ্যুৎ বিল তৈরি করে গ্রাহকের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন। আর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চোখ বুজে এসব ভূয়া বিলগুলো স্বাক্ষর করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। 

সরেজমিনে গ্রাহকদের চলতি মে মাসের বিল দেখে বুঝা গেছে গত মাসের বিলের উপর ৪০ থেকে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত অতিরিক্ত ইউনিট যোগ করে ভুতুড় বিদ্যুৎ বিল তৈরি করেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।  শুধু তাই নয় গ্রাহকরা এসব ভুতুড়ে বিল নিয়ে বোয়ালমারী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে পল্লী বিদ্যুতের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা একবার এ টেবিল একবার ও টেবিল ঘুরিয়ে নানাভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ উঠেছে। 

অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন ভুতুড়ে বিলের সমাধান করার জন্য যখন গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যান কর্মকর্তা কর্মচারীরা সমস্যার সমাধানতো করেেই না বরং উল্টো তাদের দালালদের দিয়েও নানাভাবে হয়রানির শিকার করান। ফলে অনেকে এসব হয়রানিতে বিরক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যান। বহু গ্রাহক অভিযোগ করেছেন বোয়ালমারী পল্লী বিদ্যুৎ অফিস দালালের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সংশ্লিষ্ট যে কোন কাজ দালালের মাধ্যমে করতে হয়। অন্যথায় মাস পেরিয়ে বছর গড়ালেও কাজের কোন অগ্রগতি কিংবা সুরাহার কোন সম্ভাবনা নাই। অফিস কক্ষে সারাক্ষণ থাকে দালালদের আড্ডা। গ্রাহক গিয়ে তাদের সাথে পরামর্শ কিংবা তাদের দালালির সুযোগ না দিলে গ্রাহকরা অফিসের ভেতরে তাদের হাসি ঠাট্টা আর বিদ্রুপের পাত্রে পরিণত হন। 

পক্ষান্তরে দালালদের কথামত পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান না করে উল্টো ঘুরাঘুরি করে হয়রানি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ পুরো মাস জুড়ে দেয়া হয় লোডশেডিং। দৈনিক ৪-৫ ঘণ্টার উপরে বিদ্যুৎ পায়না গ্রাহকরা। ঠিকমতো বিদ্যুৎ না দিয়ে অতিরিক্ত ইউনিট যোগ করে বিল দিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছেন এমনটাই অভিযোগ অধিকাংশ গ্রাহকের। তবে কর্মকর্তার দাবি যেসব গ্রাহকদের অতিরিক্ত ইউনিট যোগ করা হয়েছে তা সংশোধন করে দেয়া হচ্ছে। 

আলফাডঙ্গার কামারগ্রাম এর বাসিন্দা সৈকত মাহমুদ বলেন, গত মার্চে ৬৫ ইউনিট ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল আসে ৩০২ টাকা। মিটার রিডিং ছাড়াই বিদ্যুৎ বিল দিয়েছে ৮শ’ ২৪ টাকা। যা একেবারেই অযৌক্তিক।

শিয়ালদি গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, গত মার্চে আমার বাড়ির মিটারে ২শ ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের রিডিংয়ে বিল আসে ১৫শ’ টাকা। গত বছর এপ্রিলে ১শ ৯৫ ইউনিট ব্যবহারে বিল আসে এক হাজার ৯১ টাকা। ঠিকমতো বিদ্যুৎ না দিয়ে এবার এপ্রিল মাসে কোন রিডিং না নিয়ে ২ হাজার ৪শ ৮১ টাকা বিলের কাগজ দিয়েছে। যা বর্তমান মিটার রিডিংয়ের সাথে কোন মিল নেই। 

শিয়ালদির বাসিন্দা ছাব্বির আহমেদ বলেন, করোনার মহামারীর এইদিনে এবার বিদ্যুৎ বিল নিয়ে তামাশা শুরু করেছেন পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। মিটার  রিডিং ছাড়া অতিরিক্ত ইউনিট দেখিয়ে বিলের কাগজ দিয়েছেন । গত মাসে ৬৫ ইউনিটের বিল দেয়া হয়। দিয়েছেন এসে ১শ’ ১০ ইউনিট দেখিয়ে ৫শ ১৪ টাকার বিল দিয়েছেন। আমি গত মাসের বিল পরিশোধ করার পরে ও এই মাসের বিলের কপির সাথে তা যোগ করে আমাকে বিল দেয়া হয়েছে ।

ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) বলেন, করোনায় লকডাউনের কারনে মিটার রিডাররা গ্রাহকদের বাড়িতে যেতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে আমরা গ্রাহকদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে মিটার রিডিং নেয়ার চেষ্টা করছি। গ্রাহকদের গড় বিল দেওয়া হচ্ছে। বিলে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধযোগ্য লিখে দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে সারাদেশে একই নিয়মে বিদ্যুৎ বিল আদায় করা হচ্ছে।  

নিউজটি ফেচবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সর্বশেষ সংবাদ

© All rights reserved 2000-2025 © kalerchaka.Com

Developed by MozoHost.Com