1. royelllab@gmail.com : admin : কালের চাকা ডেক্স :
  2. kashiani09@gmail.com : Uzir Poros : Uzir Poros
  3. newsdex@kalerchaka.com : নিউজ ডেক্স : নিউজ ডেক্স
  4. shaonbsl71@gmail.com : Shaharia Nazim Shaon Staff Reporter : Shaharia Nazim Shaon Staff Reporter
  5. soykatsn@gmail.com : Soykat Mahmud : Soykat Mahmud
  6. kcnewsdesk@kalerchaka.com : কালের চাকা ডেস্ক 2 : কালের চাকা ডেস্ক 2
  7. hksopno51@gmail.com : Shopno Mahmud : Shopno Mahmud
  8. demo@gmail.com : demo demo : demo demo
  9. editorparosh@gmail.com : editor parosh : editor parosh
  10. adminx@gmail.com : admin admin : admin admin
  11. admin@kalercchaka.com : admin Admin : admin Admin
  12. info@breakignews.com : Br ki : Br ki
  13. newsroom@kalerchaka.com : News Room : News Room
  14. niloykustia@kalerchaka.com : Niloy Rasul : Niloy Rasul
  15. info@pressengine.xyz : Press engine : Press engine
  16. royel.oe@gmail.com : Shakil Shakil : Shakil Shakil
  17. subadmin@dtmti.com : subadmin subadmin : subadmin subadmin
শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিস :
দৈনিক "কালের চাকা" পত্রিকার সকল স্টাফ, সম্পাদক পরিষদ সহ সকল লেখক, পাঠক, বিঞ্জাপনদাতা, এজেন্ট, হকার ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে দৈনিক কালের চাকা পত্রিকার লোগো পাল্টানো হয়েছে আপনার আজ থেকে কালের চাকা সংশ্লিস্ট সকল জায়গায় নতুন লোগো দেখতে পারবেন শুভেচ্ছান্তে - সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক কালের চাকা

কড়িয়ে আনা মাংসের হাট, নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালীরা!

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩২০৫৭ নিউজটি দেথা হয়েছে

কোরবানির মাংসের হাট

বগুড়ায় গত বছরগুলোর মতো এবারও স্টেশন এলাকায় কোরবানির মাংসের হাট বসেছিল। তবে হাটে দুস্থ লোকজন তাদের কুড়িয়ে আনা মাংস বিক্রি করতে পারেনি। স্থানীয় প্রভাবশালী, মাস্তান ও মাদকসেবীদের দখলে ছিল এ হাট। তারা বাড়ি বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস কম দামে কিনে জমজমাট ব্যবসা করেছে। হাটের নিয়ন্ত্রণে কেউ না থাকায় গরিব লোকজন কম দামে মাংস বিক্রি করে বাড়ি ফিরে গেছেন।

সরেজমিন ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি বছর কোরবানির ঈদের দিন জেলার বিভিন্ন এলাকার  গরিব লোকজন শহরে এসে মাংস সংগ্রহ করেন। বাড়ি বাড়ি ঘুরে সংগ্রহ করা ওই মাংস তারা শহরের রেলওয়ে স্টেশন, বাদুড়তলা, হকার্স মার্কেট এলাকা ও রেলঘুমটিতে বিক্রি করেন। প্রতিবছর এসব গরিব লোকজন নিজেরাই মাংস বিক্রি করেন। তবে এ ঈদে মাংসের হাট তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। স্থানীয় মাস্তান, প্রভাবশালী ও মাদকসেবীরা তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক মাংস নামমাত্র মূল্যে কিনে নেয়।
ঈদের দিন (১ আগস্ট) সন্ধ্যার আগে বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে মাংসের হাট মজমাট। প্রচুর ক্রেতা বিক্রেতার ভিড়। ব্যাগ বা বস্তা নিয়ে আসা দুস্থদের কাছে ওজন ছাড়াই ইচ্ছে মতো দামে মাংস কিনে নিচ্ছে। দুস্থরা ভয়ে মাংস দিয়ে ফেরত যাচ্ছেন।

দুস্থদের কাছে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা কেজিতে কেনার পর তারা সাড়ে ৪০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে। ক্রেতাদের অধিকাংশই মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজন। কোরবানি দিতে পারেননি বা বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নের জন্য অনেকে মাংস কিনছেন এ হাট থেকে। আবার বিভিন্ন হোটেলের মালিকরাও মাংস কিনেছেন।

কোরবানির মাংসের হাট
কথা হয় মাংস বিক্রেতা আবদুর রশিদ, ফরিদ শেখ, শাহজাহান আলী, ফোরকান প্রমুখের সঙ্গে। তারা জানান, এ বছর মাংসের আমদানি ও ক্রেতা দুটোই কম। যে কারণে ব্যবসা ভালো নয়। তারপরও তারা ২০-৫০ কেজি পর্যন্ত মাংস বিক্রি করেছেন। গরিব লোকজন সরাসরি মাংস বিক্রি করতে পারছেন না কেন– এমন প্রশ্নের উত্তর তারা এড়িয়ে যান।

গাবতলীর জয়ভোগা গ্রামের শহিদুল ইসলাম, কাহালুর মালঞ্চার রফিকুল ইসলাম, সোনাতলার বালুয়ার আবদুর রশিদ, সারিয়াকান্দি শনপঁচা চরের আম্বিয়া বেগম জানান, প্রতিবছর কোরবানির ঈদে তারাও শহরে মাংস সংগ্রহের জন্য এসেছিলেন। কিন্তু তারা মাংস কখনও পরিবার নিয়ে খেতে পারেন না। তারা গোশত বিক্রি করে ৩-৬ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

তাদের অভিযোগ, এবার নিজেরা মাংস বিক্রি করতে পারেননি। এলাকার লোকজন তাদের কাছে জোর করে কম দামে মাংস কিনে নিয়ে তাদের বিদায় করেছে। অনেকে অর্ধেক দামও পাননি।

তবে রেলঘুমটি এলাকায় সুইপাররা নিজেদের ইচ্ছেমতো মাংস বিক্রি করেছে। তাদের কাছে কেউ কমদামে মাংস নিতে পারেনি।
এদিকে, হাটে আসা ক্রেতারা লজ্জায় তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি। কেউ নাম ঠিকানা বললেও সেটা ছিল ছদ্ম। নতুন পাঞ্জাবি পরে এক ব্যক্তি তার মেয়েতে নিয়ে মাংস কিনতে এসেছিলেন। নাম ও পরিচয় জানতে চাইলে বিব্রতবোধ করেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাড়ি শহরের বাদুড়তলায়। এবার কোরবানি দিতে পারেননি। তাই মেয়েকে নিয়ে কোরবানির মাংস কিনতে এসেছিলেন। তিন কেজি মাংস এক হাজার ৪০০ টাকায় কিনেছেন।’ একই ধরনের উত্তর দিয়েছেন মাংস কিনতে আসা অনেকে।

 

অরিজিনাল সংবাদ সূত্র: Source link

তারিখ ও সময় 2020-08-04 10:49:32

নিউজটি ফেচবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সর্বশেষ সংবাদ

© All rights reserved 2000-2025 © kalerchaka.Com

Developed by MozoHost.Com