মাদকের বিরুদ্ধে লেখালেখিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার
কাজী আব্দুল আজিম (সুমন), বিশেষ প্রতিনিধি
সাংবাদিকতা পেশায় মাদকের বিরুদ্ধে লেখালেখি, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে বিশেষ অবদান রাখায় ‘সোনার বাংলা স্টার অ্যাওয়ার্ড–২০২৬’-এ ভূষিত হয়েছেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার।
জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ‘মাদকমুক্ত যুবসমাজ বিনির্মাণে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা, গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সার্ক হিউম্যান রাইটস ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার কৃতী সন্তান, দৈনিক জনতার মতামত-এর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং দৈনিক সময় এডিশন-এর প্রধান সম্পাদক, মোঃ শাহজাহান বাশার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার তাঁর লেখনীর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ভয়াবহতা, এর সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাব এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখে আসছেন। বিশেষ করে মাদকের বিস্তার, এর সঙ্গে জড়িত সামাজিক অবক্ষয় এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তাঁর লেখালেখিতে গুরুত্ব পেয়েছে।
সম্মাননা অর্জনের অনুভূতি প্রকাশ করে মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “এই সম্মাননা আমার ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়েও বড় দায়িত্বের স্বীকৃতি। সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যম। মাদকের বিরুদ্ধে আমার কলম সব সময় সোচ্চার থাকবে। একটি মাদকমুক্ত, মানবিক ও সুন্দর সমাজ গঠনে সাংবাদিকতার মাধ্যমে কাজ করে যেতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সম্মাননা সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল লেখালেখি ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমে নতুন অনুপ্রেরণা জোগায়।
এ সম্মাননা প্রদানের জন্য তিনি আয়োজক সংগঠন, অনুষ্ঠানের সভাপতি, অতিথিবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ লেখনী, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, সমাজ, প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।