Dhaka 8:03 pm, Thursday, 16 April 2026
নোটিস :
বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা হচ্ছে পাবনায় র‍্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন রংপুরে ডিজেলের অভাবে সেচ বন্ধ, বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির কোচিং ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করতে আসছে নতুন কৌশল: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার মিল্টন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির যোগ্যতা নির্ধারণ, প্রজ্ঞাপন জারি
শিরোনাম
বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩ কৃষক সচ্ছল থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে: প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা হচ্ছে পাবনায় র‍্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন কোনো চুক্তি ছাড়াই শান্তি আলোচনা ছাড়ল যুক্তরাষ্ট্র

কৃষি জমি নষ্ট করলে জেল-জরিমানা! কী বলছে আইন

২০২০ সালের প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহার স্বত্ব গ্রহণ আইন (খসড়া) অনুযায়ী অবৈধভাবে কৃষি জমি নষ্ট করা বা জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশ রক্ষা এবং পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আইনের মূল বিষয়সমূহ

অনুমতি ছাড়া মাটি কাটা নিষিদ্ধ
জেলা প্রশাসক (DC) এর অনুমতি ছাড়া আবাদযোগ্য জমির উপরিস্তর কাটা বা জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না।

শাস্তির বিধান
অবৈধভাবে কৃষি জমি ভরাট বা শ্রেণি পরিবর্তন করলে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে।

আবেদন করার নিয়ম
জমির শ্রেণি পরিবর্তনের জন্য ১০ টাকা কোর্ট ফি দিয়ে
সহকারী কমিশনার (ভূমি)
বরাবর আবেদন করতে হয়।

তদন্ত ও অনুমোদন প্রক্রিয়া
আবেদন পাওয়ার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়। পরে শুনানির মাধ্যমে উপযুক্ত কারণ থাকলে রেকর্ড সংশোধনের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরিবেশ রক্ষায় কঠোর নিষেধাজ্ঞা
জনস্বার্থের পরিপন্থী বা পরিবেশের ক্ষতি করে এমনভাবে কোনো কৃষি জমি বা জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

 বিশেষ ক্ষেত্রে সীমিত অনুমতি
নিজস্ব বসতবাড়ি নির্মাণ বা প্রয়োজনীয় কাজে সীমিত পরিসরে মাটি কাটা বা ভরাট করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই আইন ও বিধি মেনে করতে হবে।

এই বিধানগুলো মূলত ২০২০ সালের খসড়া আইনের অংশ, যা পরে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর মাধ্যমে আরও শক্তভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

KAZI ABDUL AZIM

সর্বাধিক পঠিত

কৃষি জমি নষ্ট করলে জেল-জরিমানা! কী বলছে আইন

কৃষি জমি নষ্ট করলে জেল-জরিমানা! কী বলছে আইন

প্রকাশ সময় : 05:57:23 pm, Thursday, 16 April 2026

২০২০ সালের প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহার স্বত্ব গ্রহণ আইন (খসড়া) অনুযায়ী অবৈধভাবে কৃষি জমি নষ্ট করা বা জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশ রক্ষা এবং পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আইনের মূল বিষয়সমূহ

অনুমতি ছাড়া মাটি কাটা নিষিদ্ধ
জেলা প্রশাসক (DC) এর অনুমতি ছাড়া আবাদযোগ্য জমির উপরিস্তর কাটা বা জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না।

শাস্তির বিধান
অবৈধভাবে কৃষি জমি ভরাট বা শ্রেণি পরিবর্তন করলে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে।

আবেদন করার নিয়ম
জমির শ্রেণি পরিবর্তনের জন্য ১০ টাকা কোর্ট ফি দিয়ে
সহকারী কমিশনার (ভূমি)
বরাবর আবেদন করতে হয়।

তদন্ত ও অনুমোদন প্রক্রিয়া
আবেদন পাওয়ার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়। পরে শুনানির মাধ্যমে উপযুক্ত কারণ থাকলে রেকর্ড সংশোধনের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরিবেশ রক্ষায় কঠোর নিষেধাজ্ঞা
জনস্বার্থের পরিপন্থী বা পরিবেশের ক্ষতি করে এমনভাবে কোনো কৃষি জমি বা জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

 বিশেষ ক্ষেত্রে সীমিত অনুমতি
নিজস্ব বসতবাড়ি নির্মাণ বা প্রয়োজনীয় কাজে সীমিত পরিসরে মাটি কাটা বা ভরাট করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই আইন ও বিধি মেনে করতে হবে।

এই বিধানগুলো মূলত ২০২০ সালের খসড়া আইনের অংশ, যা পরে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর মাধ্যমে আরও শক্তভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।