Dhaka 1:38 am, Sunday, 31 May 2026
নোটিস :
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি নাটকীয়তার পর সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারে যেভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চোখ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা: ১৪ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি
শিরোনাম
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুম কি ক্ষতিকর? চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

নাই নাই করে চলছে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

নাই নাই করে চলছে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

রিয়াজ মুস্তাফিজ ও শাহারিয়া নাজিম শাওন:

আলফাডাঙ্গা হাসপাতাল ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল কিন্তু চলে ৫০ শয্যা হাসপাতাল নামে। কার্যক্রমে,সরঞ্জামাদিতে সব কিছুতে ৩১ শয্যার হাসপাতাল এটি।

তারপরেও ৩১ শয্যার হাসপাতালের জন্য যা দরকার তার কিছুই নেই এখানে। ডাক্তার নেই। আয়া নেই। ওয়ার্ড বয় নেই। সুইপার নেই। ল্যাব নেই। এক্সরে নেই। ফার্মাসিস্ট নেই। ডেন্টাল ডাক্তার নেই।

৩১ শয্যার হাসপাতালে ডাক্তার থাকে ৯ জন কিন্তু এখানে ডাক্তার আছে ৫ জন,২ জন কর্মরত আর বাকি ৩ জন প্রেষনে,২ জন ডাক্তার হলেন ডা.নিয়ামত হোসেন ও ডা. মো. নাজমুল হাসান। আর বাকি ৩ জনের একজন ফরিদপুর সদর হাসপাতালে আছেন,গাজীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন আছেন এবং আরেকজন আছেন কমলাপুর রেলওয়ে হাসপাতালে।

৩ জন আয়া থাকার কথা আছে ১ জন। ওয়ার্ড বয় থাকার কথা ৩ জন আছে ১ জন। সুইপার ৫ জন থাকার কথা আছে ৩ জন,১ জন কর্মরত আর বাকি ২ জন প্রেষনে।হাসপাতালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো ল্যাব,কিন্তু গত ৩ বছর ধরে ল্যাব বন্ধ। এক্সরে মেশিন থাকলেও গত ৩ মাস আগে বিকল হয়ে পড়ে,মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েও সমাধান পাওয়া যায়নি।ফার্মাসিস্ট না থাকার কারনে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ফ্রি ওষুধ ঠিক মতো পাচ্ছে না জনগণ। হারবাল এসিসট্যান্ট দিয়ে চলছে ফার্মাসিস্ট এর কাজ।পরিসংখ্যান এর জায়গা পরিসংখ্যান বীদ নেই। আলফাডাঙ্গা হাসপাতালের উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র একটি কামারগ্রামে অবস্থিত,সেখানে কোন লোকবল না থাকায় তা সম্পূর্ণ বন্ধ।মন্ত্রণালয়ের ডিজি থেকে উদাসীনতা, নেই কোন নিয়োগ।

উপরের তথ্য গুলো পাওয়া গেল আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর প্রধান সহকারী আক্তারউজ্জামান এর কাছ থেকে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.মো রেজাউল করিম সাহেব ঢাকায় থাকায় তাকে মুঠো ফোনে ফোন দিলে সে সরাসরি কথা বলবে বলে জানান এ সংকটের বিষয়ে।

আলফাডাঙ্গা হাসপাতালে ৩ উপজেলার প্রায় ২ লক্ষ মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। তাদের সেবা দেওয়ার জন্য রয়েছে মাত্র ২ জন চিকিৎসক।

গাইনি ডাক্তার না থাকার ফলে হাসপাতালে কোন ডেলিভারি বা সিজার হয় না এই সুবাদে হাসপাতালের আশ‌ে পাশে দিয়ে গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ক্লিনিক, যেখানে গরীব মানুষের ফ্রি ডেলিভারি হওয়ার কথা সেখানে তাদের ইমার্জেনসি কারনে মোটা অংকের টাকা দিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা বাসী দ্রুত এই সমস্যার প্রতিকার চাই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বন্ধু বা আত্মীয় টাকা ধার চাইছে? এই ৩ কৌশলে ‘না’ বলুন

নাই নাই করে চলছে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

প্রকাশ সময় : 10:04:15 am, Tuesday, 2 July 2019

নাই নাই করে চলছে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

রিয়াজ মুস্তাফিজ ও শাহারিয়া নাজিম শাওন:

আলফাডাঙ্গা হাসপাতাল ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল কিন্তু চলে ৫০ শয্যা হাসপাতাল নামে। কার্যক্রমে,সরঞ্জামাদিতে সব কিছুতে ৩১ শয্যার হাসপাতাল এটি।

তারপরেও ৩১ শয্যার হাসপাতালের জন্য যা দরকার তার কিছুই নেই এখানে। ডাক্তার নেই। আয়া নেই। ওয়ার্ড বয় নেই। সুইপার নেই। ল্যাব নেই। এক্সরে নেই। ফার্মাসিস্ট নেই। ডেন্টাল ডাক্তার নেই।

৩১ শয্যার হাসপাতালে ডাক্তার থাকে ৯ জন কিন্তু এখানে ডাক্তার আছে ৫ জন,২ জন কর্মরত আর বাকি ৩ জন প্রেষনে,২ জন ডাক্তার হলেন ডা.নিয়ামত হোসেন ও ডা. মো. নাজমুল হাসান। আর বাকি ৩ জনের একজন ফরিদপুর সদর হাসপাতালে আছেন,গাজীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন আছেন এবং আরেকজন আছেন কমলাপুর রেলওয়ে হাসপাতালে।

৩ জন আয়া থাকার কথা আছে ১ জন। ওয়ার্ড বয় থাকার কথা ৩ জন আছে ১ জন। সুইপার ৫ জন থাকার কথা আছে ৩ জন,১ জন কর্মরত আর বাকি ২ জন প্রেষনে।হাসপাতালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো ল্যাব,কিন্তু গত ৩ বছর ধরে ল্যাব বন্ধ। এক্সরে মেশিন থাকলেও গত ৩ মাস আগে বিকল হয়ে পড়ে,মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েও সমাধান পাওয়া যায়নি।ফার্মাসিস্ট না থাকার কারনে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ফ্রি ওষুধ ঠিক মতো পাচ্ছে না জনগণ। হারবাল এসিসট্যান্ট দিয়ে চলছে ফার্মাসিস্ট এর কাজ।পরিসংখ্যান এর জায়গা পরিসংখ্যান বীদ নেই। আলফাডাঙ্গা হাসপাতালের উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র একটি কামারগ্রামে অবস্থিত,সেখানে কোন লোকবল না থাকায় তা সম্পূর্ণ বন্ধ।মন্ত্রণালয়ের ডিজি থেকে উদাসীনতা, নেই কোন নিয়োগ।

উপরের তথ্য গুলো পাওয়া গেল আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর প্রধান সহকারী আক্তারউজ্জামান এর কাছ থেকে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.মো রেজাউল করিম সাহেব ঢাকায় থাকায় তাকে মুঠো ফোনে ফোন দিলে সে সরাসরি কথা বলবে বলে জানান এ সংকটের বিষয়ে।

আলফাডাঙ্গা হাসপাতালে ৩ উপজেলার প্রায় ২ লক্ষ মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। তাদের সেবা দেওয়ার জন্য রয়েছে মাত্র ২ জন চিকিৎসক।

গাইনি ডাক্তার না থাকার ফলে হাসপাতালে কোন ডেলিভারি বা সিজার হয় না এই সুবাদে হাসপাতালের আশ‌ে পাশে দিয়ে গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ক্লিনিক, যেখানে গরীব মানুষের ফ্রি ডেলিভারি হওয়ার কথা সেখানে তাদের ইমার্জেনসি কারনে মোটা অংকের টাকা দিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা বাসী দ্রুত এই সমস্যার প্রতিকার চাই।