Dhaka 4:19 am, Wednesday, 15 July 2026
নোটিস :
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি নাটকীয়তার পর সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারে যেভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চোখ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা: ১৪ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি
শিরোনাম
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুম কি ক্ষতিকর? চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

মধুমতির তীব্র ভাঙ্গনঃ বাঁধ নির্মাণের দাবী স্থানীয়দের

রিয়াজ মুস্তাফিজ (বিশেষ প্রতিবেদক) :

বাড়ছে মধুমতির ভাঙ্গন। ভেঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে চির পরিচিত ঘরবাড়ি, ভিটে। কত পরিচিত উঠোনের পাশে সযত্নে লাগানো কিশোরীর ফুল গাছটিও।

বিলীন হয়ে যাচ্ছে ছোট্ট শিশুদের চড়ুইভাতির আয়োজন। কলা পাতার খেলাঘর। হাজারো বেদনার স্মৃতি, কত্ত রঙ্গিন সব সপ্ন।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়নের চরনারানদিয়া গ্রামের গল্প এটি। মধুমতির তীব্র ভাঙ্গনে প্রায় বিলীন হতে বসেছে আলফাডাঙ্গা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য ঘর বাড়ি, জমি জমা, গাছ গাছালি মধুমতি গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাকি ঘর বাড়ি স্কুল মাদ্রাসাও তীব্র ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, হঠাৎ করেই মধুমতির ভাঙ্গনে ত্রিশটা বাড়ি ভেঙ্গে যায়। মানুষ ঘরবাড়ি সরাতে পারে নাই। গাছ গাছালি ও জমির ফসলাদি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গন কবলীত মানুষজন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তাদের যাওয়ার কোন জায়গা নাই। পরের জায়গায় কোন মতে ছাপড়া দিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে । সরকারের কাছে বাঁধ নির্মাণের জোর দাবী জানাচ্ছি।

চরনারানদিয়া গ্রামের ইকরামুজ্জামান বলেন, নদী ভাঙ্গনের যন্ত্রনা কত নির্মম হতে পারে এ অঞ্চলের মানুষ তার জলন্ত উদাহরন। নদী ভাঙ্গলে কিচ্ছু থাকেনা। সরকারের কাছে তিনিও বাঁধ নির্মাণের আবেদন জানান।

চরনারানদিয়া গ্রামের শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, আমরা এখানে খুবই ঝুঁকিপুর্ন অবস্থায় বসবাস করছি। গ্রামের মসজিদ মাদ্রাসা স্কুল চরম ঝুকির মধ্যে রয়েছে।

চরনারানদিয়ার সহায় সম্বলহীন অসহায় মানুষের হাহাকারে ভারী হয়ে উঠেছে এখানকার পরিবেশ। দ্রুত বাঁধ নির্মাণ না হলে, পুরো গ্রামটি মধুমতির গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে এমন আশংকা এখানের সকল শ্রেণীপেশার মানুষের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

বন্ধু বা আত্মীয় টাকা ধার চাইছে? এই ৩ কৌশলে ‘না’ বলুন

মধুমতির তীব্র ভাঙ্গনঃ বাঁধ নির্মাণের দাবী স্থানীয়দের

প্রকাশ সময় : 04:51:36 pm, Saturday, 19 October 2019

রিয়াজ মুস্তাফিজ (বিশেষ প্রতিবেদক) :

বাড়ছে মধুমতির ভাঙ্গন। ভেঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে চির পরিচিত ঘরবাড়ি, ভিটে। কত পরিচিত উঠোনের পাশে সযত্নে লাগানো কিশোরীর ফুল গাছটিও।

বিলীন হয়ে যাচ্ছে ছোট্ট শিশুদের চড়ুইভাতির আয়োজন। কলা পাতার খেলাঘর। হাজারো বেদনার স্মৃতি, কত্ত রঙ্গিন সব সপ্ন।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়নের চরনারানদিয়া গ্রামের গল্প এটি। মধুমতির তীব্র ভাঙ্গনে প্রায় বিলীন হতে বসেছে আলফাডাঙ্গা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য ঘর বাড়ি, জমি জমা, গাছ গাছালি মধুমতি গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাকি ঘর বাড়ি স্কুল মাদ্রাসাও তীব্র ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, হঠাৎ করেই মধুমতির ভাঙ্গনে ত্রিশটা বাড়ি ভেঙ্গে যায়। মানুষ ঘরবাড়ি সরাতে পারে নাই। গাছ গাছালি ও জমির ফসলাদি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গন কবলীত মানুষজন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তাদের যাওয়ার কোন জায়গা নাই। পরের জায়গায় কোন মতে ছাপড়া দিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে । সরকারের কাছে বাঁধ নির্মাণের জোর দাবী জানাচ্ছি।

চরনারানদিয়া গ্রামের ইকরামুজ্জামান বলেন, নদী ভাঙ্গনের যন্ত্রনা কত নির্মম হতে পারে এ অঞ্চলের মানুষ তার জলন্ত উদাহরন। নদী ভাঙ্গলে কিচ্ছু থাকেনা। সরকারের কাছে তিনিও বাঁধ নির্মাণের আবেদন জানান।

চরনারানদিয়া গ্রামের শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, আমরা এখানে খুবই ঝুঁকিপুর্ন অবস্থায় বসবাস করছি। গ্রামের মসজিদ মাদ্রাসা স্কুল চরম ঝুকির মধ্যে রয়েছে।

চরনারানদিয়ার সহায় সম্বলহীন অসহায় মানুষের হাহাকারে ভারী হয়ে উঠেছে এখানকার পরিবেশ। দ্রুত বাঁধ নির্মাণ না হলে, পুরো গ্রামটি মধুমতির গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে এমন আশংকা এখানের সকল শ্রেণীপেশার মানুষের।