Dhaka 5:35 pm, Monday, 19 October 2026
নোটিস :
সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিতকরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে দ্বিতীয় অবস্থানে বিটিআরসি স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি নাটকীয়তার পর সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারে যেভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চোখ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা: ১৪ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি
শিরোনাম
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুম কি ক্ষতিকর? চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

চিঠিপত্র

পলাশী ট্র্যাজেডি থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই 

২৩ জুন। ঐতিহাসিক পলাশী দিবস। ১৭৫৭ সালের এই দিনে পলাশীর আ¤্রকাননে নবাবের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্ত যায়। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ স্বাধীনতা হারায়। সেই পরাধীনতার শেককল বয়ে বেড়াতে হয়েছে দুশো বছর। পলাশীর প্রান্তরে বাংলার নবাবের পরাজয় জাতির জন্য বিরাট বড় একটি শিক্ষা। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের পরও জাতি আজো সেই ঘটনা ন্যূনতম শিক্ষা গ্রহণ করেনি। পলাশীর প্রান্তরে নবাবের পরাজয়ের পেছনে ঐতিহাসিকগণ মীরজাফরকে দায়ী করলেও এর পেছনে ছিল এক গভীর ও অন্তর্নিহিত কারণ। ইংরেজদের সাথে পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার সময় নবাব সিরাজ-উ-দৌলাহর বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ছিল ৫০,০০০ হাজার আর রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইংরেজ বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ছিল ৩৫০০। যে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নবাব সিরাজ-উ-দৌলাহর পরাজয় হয় বলে উল্লেখ করা হয়, তার অধীনে ছিল ১৬০০০ সৈন্য, যারা যুদ্ধের সময়ে প্রধান সেনাপতির হুকুমে নীরব দর্শকের মত দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়। এরপরও নবাবের হাতে যে বিপুল সংখ্যক সৈন্য ছিল তা দিয়ে ইংরেজদের পরাজিত ও বিতাড়িত করা সম্ভব ছিল। কিন্তু বাংলার নবাব সেদিন পরাজিত হয়ে, জীবন দিয়েও বাংলার মাটিকে, প্রিয় জন্মভূমিকে দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে রক্ষা করতে পারলেন না। কেন পারলেন না? যেখানে সৈন্য সংখ্যা, অস্ত্রভান্ডার, রসদ ও বাহন বিদেশিদের তুলনায় অনেক বেশি তাছাড়া প্রকৃতি, পরিবেশ সবই ছিল নিজেদের অনুকূলে তথাপি এই ঐতিহাসিক পরাজয়ের কারণ ছিল জাতির মধ্যে অনৈক্য এবং ক্ষমতালোভী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠির ষড়যন্ত্র। সেদিন মীরজাফর, ইয়ার লতিফ খান, ঘষেটি বেগম, রাজা রাজবল্লভ, রায়দূর্লভ, জগৎশেঠ, মানিক চাঁদ, আমির চাঁদ প্রমুখ নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। জাতির অনৈক্যের কারণেই রবার্ট ক্লাইভের ৩৫০০ ইংরেজ সৈন্যের কাছে নবাবের ৫০,০০০ সৈন্যকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা বাঙালি জাতি যদি অনৈক্য, হানাহানি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, যদি প্রিয় জন্মভূমিকে সাম্রাজ্যবাদীদের চক্রান্ত থেকে মুক্ত রাখতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে আর কখনো পলাশীর প্রেক্ষাপট তৈরি হবে না।
মোহাম্মদ ইয়ামিন খান
শ্যামলী, ঢাকা।

 

Source link

Daily Inqilab (aditya.fouzder@link3.net) , 2020-06-23 06:03:55

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিতকরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে দ্বিতীয় অবস্থানে বিটিআরসি

চিঠিপত্র

প্রকাশ সময় : 12:09:15 am, Tuesday, 23 June 2020

পলাশী ট্র্যাজেডি থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই 

২৩ জুন। ঐতিহাসিক পলাশী দিবস। ১৭৫৭ সালের এই দিনে পলাশীর আ¤্রকাননে নবাবের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্ত যায়। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ স্বাধীনতা হারায়। সেই পরাধীনতার শেককল বয়ে বেড়াতে হয়েছে দুশো বছর। পলাশীর প্রান্তরে বাংলার নবাবের পরাজয় জাতির জন্য বিরাট বড় একটি শিক্ষা। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের পরও জাতি আজো সেই ঘটনা ন্যূনতম শিক্ষা গ্রহণ করেনি। পলাশীর প্রান্তরে নবাবের পরাজয়ের পেছনে ঐতিহাসিকগণ মীরজাফরকে দায়ী করলেও এর পেছনে ছিল এক গভীর ও অন্তর্নিহিত কারণ। ইংরেজদের সাথে পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার সময় নবাব সিরাজ-উ-দৌলাহর বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ছিল ৫০,০০০ হাজার আর রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইংরেজ বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ছিল ৩৫০০। যে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নবাব সিরাজ-উ-দৌলাহর পরাজয় হয় বলে উল্লেখ করা হয়, তার অধীনে ছিল ১৬০০০ সৈন্য, যারা যুদ্ধের সময়ে প্রধান সেনাপতির হুকুমে নীরব দর্শকের মত দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়। এরপরও নবাবের হাতে যে বিপুল সংখ্যক সৈন্য ছিল তা দিয়ে ইংরেজদের পরাজিত ও বিতাড়িত করা সম্ভব ছিল। কিন্তু বাংলার নবাব সেদিন পরাজিত হয়ে, জীবন দিয়েও বাংলার মাটিকে, প্রিয় জন্মভূমিকে দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে রক্ষা করতে পারলেন না। কেন পারলেন না? যেখানে সৈন্য সংখ্যা, অস্ত্রভান্ডার, রসদ ও বাহন বিদেশিদের তুলনায় অনেক বেশি তাছাড়া প্রকৃতি, পরিবেশ সবই ছিল নিজেদের অনুকূলে তথাপি এই ঐতিহাসিক পরাজয়ের কারণ ছিল জাতির মধ্যে অনৈক্য এবং ক্ষমতালোভী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠির ষড়যন্ত্র। সেদিন মীরজাফর, ইয়ার লতিফ খান, ঘষেটি বেগম, রাজা রাজবল্লভ, রায়দূর্লভ, জগৎশেঠ, মানিক চাঁদ, আমির চাঁদ প্রমুখ নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। জাতির অনৈক্যের কারণেই রবার্ট ক্লাইভের ৩৫০০ ইংরেজ সৈন্যের কাছে নবাবের ৫০,০০০ সৈন্যকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা বাঙালি জাতি যদি অনৈক্য, হানাহানি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, যদি প্রিয় জন্মভূমিকে সাম্রাজ্যবাদীদের চক্রান্ত থেকে মুক্ত রাখতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে আর কখনো পলাশীর প্রেক্ষাপট তৈরি হবে না।
মোহাম্মদ ইয়ামিন খান
শ্যামলী, ঢাকা।

 

Source link

Daily Inqilab (aditya.fouzder@link3.net) , 2020-06-23 06:03:55