Dhaka 2:13 am, Sunday, 31 May 2026
নোটিস :
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি নাটকীয়তার পর সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারে যেভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চোখ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা: ১৪ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি
শিরোনাম
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুম কি ক্ষতিকর? চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

সংঘাতের পরও লাদাখে সড়ক পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চায় ভারত

প্রাণঘাতী সংঘাতের পর উত্তেজনা নিরসনে চীন ও ভারত আলোচনা চালিয়ে গেলেও লাদাখ সীমান্ত এলাকায় সড়ক নির্মাণ পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চাইছে দিল্লি। গত পাঁচ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দুই দেশের সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর থাকা অবকাঠামো পর্যালোচনা করেছেন ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সীমান্ত ব্যবস্থাপনা) সঞ্জিব কুমার। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এর মধ্য দিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে ভারত সরকারের জোরালো মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে।

গালওয়ান উপত্যকার মধ্য দিয়ে লাদাখ অঞ্চলে সড়ক ও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের ওপর গত বেশ কিছু দিন ধরেই জোর দিয়েছে ভারত। ধারণা করা হচ্ছে মূলত এই কারণে ওই অঞ্চলে প্রভাব বাড়াতে চাইছে চীন। আর এনিয়ে উত্তেজনার এক পর্যায়ে গত সংঘাতে জড়ায় দুই দেশের সেনা সদস্যরা। এতে ভারতের অন্তত ২০ সেনা নিহত হয়। অপরদিকে চীনা পক্ষের হতাহতের সংখ্যা স্পষ্ট নয়।

চীন-ভারত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করেন, বর্তমানে দুই দেশের সীমান্তে উত্তেজনার বড় কারণ হলো পরিবহন সংযোগ বাড়াতে ভারত সরকার সড়ক ও বিমানঘাঁটির উন্নয়ন করেছে। এতে করে নিয়ন্ত্রণ রেখার নিজেদের অংশে থাকা চীনের অবকাঠামোগত শ্রেষ্ঠত্ব সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ভারত সম্প্রতি দারবুক থেকে দৌলত বেগ ওল্ডি পর্যন্ত একটি সড়ক নির্মাণ শেষ করেছে। এতে গালওয়ান উপত্যকায় ভারতের প্রতিরক্ষা উন্নত হয়েছে। ওই এলাকায় আরও বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ভারত সরকার।

এসব অবকাঠামো পর্যালোচনা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতের এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে পিছিয়ে পড়ায় আমাদের লক্ষ্য ছিল চলমান প্রকল্পের গতি বাড়ানো। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে ওই অঞ্চলে ৩২টি কৌশলগত সড়ক ২০১৯ সালে নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল। ছাড়পত্র পাওয়া সংক্রান্ত ইস্যু ছিল সেকারণে বৈঠকের মূল মনোযোগ ছিল এসব বাধা অপসারণ করা।’

অরিজিনাল সংবাদ সূত্র: Source link

তারিখ ও সময় 2020-06-23 03:13:26

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বন্ধু বা আত্মীয় টাকা ধার চাইছে? এই ৩ কৌশলে ‘না’ বলুন

সংঘাতের পরও লাদাখে সড়ক পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চায় ভারত

প্রকাশ সময় : 03:16:12 am, Tuesday, 23 June 2020

প্রাণঘাতী সংঘাতের পর উত্তেজনা নিরসনে চীন ও ভারত আলোচনা চালিয়ে গেলেও লাদাখ সীমান্ত এলাকায় সড়ক নির্মাণ পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চাইছে দিল্লি। গত পাঁচ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দুই দেশের সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর থাকা অবকাঠামো পর্যালোচনা করেছেন ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সীমান্ত ব্যবস্থাপনা) সঞ্জিব কুমার। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এর মধ্য দিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে ভারত সরকারের জোরালো মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে।

গালওয়ান উপত্যকার মধ্য দিয়ে লাদাখ অঞ্চলে সড়ক ও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের ওপর গত বেশ কিছু দিন ধরেই জোর দিয়েছে ভারত। ধারণা করা হচ্ছে মূলত এই কারণে ওই অঞ্চলে প্রভাব বাড়াতে চাইছে চীন। আর এনিয়ে উত্তেজনার এক পর্যায়ে গত সংঘাতে জড়ায় দুই দেশের সেনা সদস্যরা। এতে ভারতের অন্তত ২০ সেনা নিহত হয়। অপরদিকে চীনা পক্ষের হতাহতের সংখ্যা স্পষ্ট নয়।

চীন-ভারত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করেন, বর্তমানে দুই দেশের সীমান্তে উত্তেজনার বড় কারণ হলো পরিবহন সংযোগ বাড়াতে ভারত সরকার সড়ক ও বিমানঘাঁটির উন্নয়ন করেছে। এতে করে নিয়ন্ত্রণ রেখার নিজেদের অংশে থাকা চীনের অবকাঠামোগত শ্রেষ্ঠত্ব সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ভারত সম্প্রতি দারবুক থেকে দৌলত বেগ ওল্ডি পর্যন্ত একটি সড়ক নির্মাণ শেষ করেছে। এতে গালওয়ান উপত্যকায় ভারতের প্রতিরক্ষা উন্নত হয়েছে। ওই এলাকায় আরও বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ভারত সরকার।

এসব অবকাঠামো পর্যালোচনা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতের এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে পিছিয়ে পড়ায় আমাদের লক্ষ্য ছিল চলমান প্রকল্পের গতি বাড়ানো। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে ওই অঞ্চলে ৩২টি কৌশলগত সড়ক ২০১৯ সালে নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল। ছাড়পত্র পাওয়া সংক্রান্ত ইস্যু ছিল সেকারণে বৈঠকের মূল মনোযোগ ছিল এসব বাধা অপসারণ করা।’

অরিজিনাল সংবাদ সূত্র: Source link

তারিখ ও সময় 2020-06-23 03:13:26