Dhaka 5:37 pm, Monday, 19 October 2026
নোটিস :
সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিতকরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে দ্বিতীয় অবস্থানে বিটিআরসি স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি নাটকীয়তার পর সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারে যেভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চোখ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা: ১৪ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি
শিরোনাম
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুম কি ক্ষতিকর? চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

লেবাননে নিহত মিজানের লাশ চান মা

লেবাননে বিস্ফোরণে নিহত মিজান খানলেবাননে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতদের একজন মাদারীপুরের মিজান। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা মিজানের মা, ভাই, বোন, স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা। মিজানের পরিবারের একমাত্র দাবি, সরকার যেনও তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে।

নিহত মিজানের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তার মা রেকসনা বেগম। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় সম্পর্ক ছিন্ন হয়। এরপর ঢাকা থেকে সন্তানদের নিয়ে চলে আসেন মাদারীপুরের কালকিনির মিয়ারহাটের বাবা বাড়িতে। এই অবস্থাতেই ধার-দেনা করে বড় ছেলে মিজান খানকে লেবাননে পাঠান দু’বেলা দু’মুঠো নিশ্চিন্তে খাওয়ার আশায়। লেবাননে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মিজানের নিহতের খবরে এই পরিবারে এখন শোকের মাতম।

মিজানের মা রেকসনা বেগম বলেন, যাদের জন্য আমরা সন্তান মারা গেছে, তাদের বিচার চাই। সরকারের কাছে একটাই দাবি তারা যেনও আমার ছেলের লাশটি অন্তত দেশে এনে দেয়। সরকার যেনও দায়িত্ব পালন করে।

নিহত মিজানের মা রেকসনা বেগমমিজানের ছোট ভাই আব্দুর রহমান বলেন, বাবা আমাদের দেখাশোনা করতো না। মা-ই সব করেছেন। ঢাকায় কখনো কারখানায়, কখনো গার্মেন্টসে কাজ করে সংসার চালিয়েছেন। এরপর অনেক টাকা ধার করে বড় ভাইকে বিদেশে পাঠান সংসারের সুদিনের আশায়। কিন্তু আজ আমাদের সেই অবলম্বনও হারিয়ে গেলো।

নিহত মিজানের মামা বজলুর রহমান বলেন, মিজানের মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। সরকারের কাছে তাদের দাবি, মিজানের লাশটি যেনও অন্তত দেশে আনা হয়।

মাদারীপুরের কালকিনির শিকারমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল আলম মৃধা বলেন, মিজানের মৃত্যুর খবরে তার আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাদারীপুরের অনেক মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জীবিকা অর্জনের তাগিদে অবস্থান করছেন। তাদের যে কোন সমস্যায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে গভীর কষ্ট ও বেদনার অনুভূতি হয়। আমরা চেষ্টা করবো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই পরিবারকে কিছু সহযোগিতা করতে। সরকারের কাছে মিজানের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, লেবাননে নিহত মিজানের তিন বছর বয়সী এক শিশু সন্তানও রয়েছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা নিহতের পুরো পরিবার। 

অরিজিনাল সংবাদ Source link

মাদারীপুর প্রতিনিধি , 2020-08-05 20:15:22

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিতকরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে দ্বিতীয় অবস্থানে বিটিআরসি

লেবাননে নিহত মিজানের লাশ চান মা

প্রকাশ সময় : 08:17:22 pm, Wednesday, 5 August 2020

লেবাননে বিস্ফোরণে নিহত মিজান খানলেবাননে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতদের একজন মাদারীপুরের মিজান। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা মিজানের মা, ভাই, বোন, স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা। মিজানের পরিবারের একমাত্র দাবি, সরকার যেনও তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে।

নিহত মিজানের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তার মা রেকসনা বেগম। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় সম্পর্ক ছিন্ন হয়। এরপর ঢাকা থেকে সন্তানদের নিয়ে চলে আসেন মাদারীপুরের কালকিনির মিয়ারহাটের বাবা বাড়িতে। এই অবস্থাতেই ধার-দেনা করে বড় ছেলে মিজান খানকে লেবাননে পাঠান দু’বেলা দু’মুঠো নিশ্চিন্তে খাওয়ার আশায়। লেবাননে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মিজানের নিহতের খবরে এই পরিবারে এখন শোকের মাতম।

মিজানের মা রেকসনা বেগম বলেন, যাদের জন্য আমরা সন্তান মারা গেছে, তাদের বিচার চাই। সরকারের কাছে একটাই দাবি তারা যেনও আমার ছেলের লাশটি অন্তত দেশে এনে দেয়। সরকার যেনও দায়িত্ব পালন করে।

নিহত মিজানের মা রেকসনা বেগমমিজানের ছোট ভাই আব্দুর রহমান বলেন, বাবা আমাদের দেখাশোনা করতো না। মা-ই সব করেছেন। ঢাকায় কখনো কারখানায়, কখনো গার্মেন্টসে কাজ করে সংসার চালিয়েছেন। এরপর অনেক টাকা ধার করে বড় ভাইকে বিদেশে পাঠান সংসারের সুদিনের আশায়। কিন্তু আজ আমাদের সেই অবলম্বনও হারিয়ে গেলো।

নিহত মিজানের মামা বজলুর রহমান বলেন, মিজানের মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। সরকারের কাছে তাদের দাবি, মিজানের লাশটি যেনও অন্তত দেশে আনা হয়।

মাদারীপুরের কালকিনির শিকারমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল আলম মৃধা বলেন, মিজানের মৃত্যুর খবরে তার আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাদারীপুরের অনেক মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জীবিকা অর্জনের তাগিদে অবস্থান করছেন। তাদের যে কোন সমস্যায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে গভীর কষ্ট ও বেদনার অনুভূতি হয়। আমরা চেষ্টা করবো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই পরিবারকে কিছু সহযোগিতা করতে। সরকারের কাছে মিজানের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, লেবাননে নিহত মিজানের তিন বছর বয়সী এক শিশু সন্তানও রয়েছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা নিহতের পুরো পরিবার। 

অরিজিনাল সংবাদ Source link

মাদারীপুর প্রতিনিধি , 2020-08-05 20:15:22