Dhaka 2:37 am, Tuesday, 20 October 2026
নোটিস :
সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিতকরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে দ্বিতীয় অবস্থানে বিটিআরসি স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি নাটকীয়তার পর সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারে যেভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চোখ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা: ১৪ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি
শিরোনাম
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুম কি ক্ষতিকর? চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

প্রতিদিন আইন ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিসিএসের জন্য পড়তাম অবশেষে ম্যাজিস্ট্রেট


নিয়ে গর্ব করতেন আর ফয়সলকে বলতেন তোরও বিসিএস ক্যাডার হতে হবে। বাবার প্রত্যাশা পূরণের জন্য তখন থেকেই ফয়সল ভাবতেন পড়াশোনা শেষে বিসিএস দিবেন। এরপর বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে অনার্স চতুর্থ বর্ষ থেকে বিসিএসের জন্য মোটামুটি প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন ফয়সল। অনার্স সম্পন্ন করে নোবিপ্রবিতে মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে চলে যান ঢাকায়। ঢাকায় গিয়ে কোচিংয়ে ভর্তি না হয়ে বাসায় বসেই বিসিএসের জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন। ঢাকা থেকে নোয়াখালী এসেই মাস্টার্সের ক্লাস-পরীক্ষা দিতেন। বাবার কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ৩৬তম বিসিএসের সার্কুলার পেয়ে আবেদন করেন ফয়সল। কিন্তু প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ফেল করেন। এরপর ৩৭তম বিসিএসের সার্কুলার পেয়ে আবার আবেদন করেন। তাতেও দ্বিতীয়বারের মতো প্রিলিতে ফেল করেন। দ্বিতীয়বার প্রিলিতে ফেল করার পর ভাবলেন বিসিএস আর হবে না তার দ্বারা। তবে হতাশ হননি তিনি। ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি দেয়ার পাশাপাশি অন্য জবের জন্য ট্রাই করা শুরু করেন। এরইমধ্যে হঠাৎ

 

পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর রাজশাহীর সারদায় পুলিশ ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং শুরুর দু’মাসের মাথায় বিসিএস প্রিলিমিনারি রেজাল্ট হয়। তৃতীয়বারের প্রচেষ্টায় প্রিলিতে উত্তীর্ণ হন ফয়সল। একদিকে পুলিশের ট্রেনিং অন্যদিকে বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। ভাবতেন মাঠে এত কঠিন পরিশ্রম করে পড়াশোনা কিভাবে করবেন। বাবা আর ২-৩ জন পুলিশের সহকর্মী খুব উৎসাহ দিতেন বিসিএসের জন্য পড়ার। একবার মনস্থির করলেন পুলিশের জব ছেডেই দিবেন। পরে মতো পাল্টিয়ে চাকরির পাশাপাশিই শুরু করেন বিসিএসের পড়াশোনা। পুলিশ ট্রেনিং অ্যাকাডেমির একটা নিয়ম ছিল রাত ১০ টার পর রুমের লাইট অফ করা। রাত দশটার পর রুমের লাইট জ্বালানোর নিয়ম না থাকায় মসজিদে গিয়ে লিখিত পরীক্ষার জন্য পড়তেন ফয়সল। এ ছাড়া প্রতিদিন দিনের বেলা আইন ক্লাসে আইনের বই ছাডা অন্য বই পডা নিষেধ থাকলেও শিক্ষকের ফাঁকি দিয়ে বিসিএসের জন্য পড়তেন। অবশেষে উত্তীর্ণ হন লিখিত পরীক্ষায়। এবার ভাইভার পালা। ভাইভা দিলেন। ভাবেননি বিসিএস অ্যাডমিন ক্যাডারে সিলেক্ট হবেন। সদ্য প্রকাশিত ৩৮তম বিসিএসের চুড়ান্ত রেজাল্টে নিজেকে

 

অ্যাডমিন (সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) ক্যাডারে উত্তীর্ণদের জায়গায় দেখতে পেয়ে অনেকটাই অবাক হন তিনি। ফয়সল মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, আমি ভাবিনি আমি অ্যাডমিন ক্যাডারে নির্বাচিত হবো। এজন্য আমার আবেগ অনুভূতি একটু বেশিই। আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি বিধায় আমি অনেক খুশি। অনেক বাধা পোহাতে হয়েছে আমাকে। পুলিশ ট্রেনিং অ্যাকাডেমির নিয়ম রাত দশটায় লাইট অফ করা। আর তাই আমি মসজিদে গিয়ে রাতে পড়েছি। আইনের ক্লাস ফাকি দিয়ে বিসিএসের জন্য পড়েছি। অনার্স-মাস্টার্সে রেজাল্ট তেমন ভালো ছিল না আমার। পুলিশ ট্রেনিংয়ে আমি এক বছরসহ বাংলাদেশ পুলিশে প্রায় আড়াই বছর উপ-পরিদর্শক হিসাবে সততা, নিষ্ঠা, ও মানবিকতার সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছি। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যেখানে পোস্টিং হয় সেখানে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করব, দেশের জন্য কাজ করব। বিসিএস যাদের স্বপ্ন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি তৃতীয়বারের মাথায় সফল হয়েছি। তাই হতাশ হওয়া যাবে না। লেগে থাকলে সফলতা আসবেই।



অরিজিনাল সংবাদ সূত্র: Source link

তারিখ ও সময় 2020-07-09 09:21:07

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

What Makes Modern Online Casinos So Popular

© All rights reserved 2000-2026 © kalerchaka.Com

Design & Developed by: BD IT HOST

প্রতিদিন আইন ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিসিএসের জন্য পড়তাম অবশেষে ম্যাজিস্ট্রেট

প্রকাশ সময় : 12:13:01 pm, Thursday, 13 August 2020


নিয়ে গর্ব করতেন আর ফয়সলকে বলতেন তোরও বিসিএস ক্যাডার হতে হবে। বাবার প্রত্যাশা পূরণের জন্য তখন থেকেই ফয়সল ভাবতেন পড়াশোনা শেষে বিসিএস দিবেন। এরপর বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে অনার্স চতুর্থ বর্ষ থেকে বিসিএসের জন্য মোটামুটি প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন ফয়সল। অনার্স সম্পন্ন করে নোবিপ্রবিতে মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে চলে যান ঢাকায়। ঢাকায় গিয়ে কোচিংয়ে ভর্তি না হয়ে বাসায় বসেই বিসিএসের জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন। ঢাকা থেকে নোয়াখালী এসেই মাস্টার্সের ক্লাস-পরীক্ষা দিতেন। বাবার কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ৩৬তম বিসিএসের সার্কুলার পেয়ে আবেদন করেন ফয়সল। কিন্তু প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ফেল করেন। এরপর ৩৭তম বিসিএসের সার্কুলার পেয়ে আবার আবেদন করেন। তাতেও দ্বিতীয়বারের মতো প্রিলিতে ফেল করেন। দ্বিতীয়বার প্রিলিতে ফেল করার পর ভাবলেন বিসিএস আর হবে না তার দ্বারা। তবে হতাশ হননি তিনি। ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি দেয়ার পাশাপাশি অন্য জবের জন্য ট্রাই করা শুরু করেন। এরইমধ্যে হঠাৎ

 

পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর রাজশাহীর সারদায় পুলিশ ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং শুরুর দু’মাসের মাথায় বিসিএস প্রিলিমিনারি রেজাল্ট হয়। তৃতীয়বারের প্রচেষ্টায় প্রিলিতে উত্তীর্ণ হন ফয়সল। একদিকে পুলিশের ট্রেনিং অন্যদিকে বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। ভাবতেন মাঠে এত কঠিন পরিশ্রম করে পড়াশোনা কিভাবে করবেন। বাবা আর ২-৩ জন পুলিশের সহকর্মী খুব উৎসাহ দিতেন বিসিএসের জন্য পড়ার। একবার মনস্থির করলেন পুলিশের জব ছেডেই দিবেন। পরে মতো পাল্টিয়ে চাকরির পাশাপাশিই শুরু করেন বিসিএসের পড়াশোনা। পুলিশ ট্রেনিং অ্যাকাডেমির একটা নিয়ম ছিল রাত ১০ টার পর রুমের লাইট অফ করা। রাত দশটার পর রুমের লাইট জ্বালানোর নিয়ম না থাকায় মসজিদে গিয়ে লিখিত পরীক্ষার জন্য পড়তেন ফয়সল। এ ছাড়া প্রতিদিন দিনের বেলা আইন ক্লাসে আইনের বই ছাডা অন্য বই পডা নিষেধ থাকলেও শিক্ষকের ফাঁকি দিয়ে বিসিএসের জন্য পড়তেন। অবশেষে উত্তীর্ণ হন লিখিত পরীক্ষায়। এবার ভাইভার পালা। ভাইভা দিলেন। ভাবেননি বিসিএস অ্যাডমিন ক্যাডারে সিলেক্ট হবেন। সদ্য প্রকাশিত ৩৮তম বিসিএসের চুড়ান্ত রেজাল্টে নিজেকে

 

অ্যাডমিন (সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) ক্যাডারে উত্তীর্ণদের জায়গায় দেখতে পেয়ে অনেকটাই অবাক হন তিনি। ফয়সল মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, আমি ভাবিনি আমি অ্যাডমিন ক্যাডারে নির্বাচিত হবো। এজন্য আমার আবেগ অনুভূতি একটু বেশিই। আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি বিধায় আমি অনেক খুশি। অনেক বাধা পোহাতে হয়েছে আমাকে। পুলিশ ট্রেনিং অ্যাকাডেমির নিয়ম রাত দশটায় লাইট অফ করা। আর তাই আমি মসজিদে গিয়ে রাতে পড়েছি। আইনের ক্লাস ফাকি দিয়ে বিসিএসের জন্য পড়েছি। অনার্স-মাস্টার্সে রেজাল্ট তেমন ভালো ছিল না আমার। পুলিশ ট্রেনিংয়ে আমি এক বছরসহ বাংলাদেশ পুলিশে প্রায় আড়াই বছর উপ-পরিদর্শক হিসাবে সততা, নিষ্ঠা, ও মানবিকতার সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছি। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যেখানে পোস্টিং হয় সেখানে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করব, দেশের জন্য কাজ করব। বিসিএস যাদের স্বপ্ন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি তৃতীয়বারের মাথায় সফল হয়েছি। তাই হতাশ হওয়া যাবে না। লেগে থাকলে সফলতা আসবেই।



অরিজিনাল সংবাদ সূত্র: Source link

তারিখ ও সময় 2020-07-09 09:21:07