Dhaka 1:16 am, Thursday, 22 October 2026
নোটিস :
সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিতকরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে দ্বিতীয় অবস্থানে বিটিআরসি স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি নাটকীয়তার পর সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেন বিজয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন মোবাইল ফোনের অতি ব্যবহারে যেভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চোখ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা: ১৪ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি
শিরোনাম
স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা কে দুপুরে খাওয়ার পরে ঘুম কি ক্ষতিকর? চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাবুই পাখির বাসা কেটে ছানা হত্যা, বৃদ্ধের কারাদণ্ড ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

কোথাও নেই স্পীড ব্রেকার, সাইনবোর্ড ঝুলিয়েই দায় সারলেন সড়ক কর্তৃপক্ষ

কোথাও নেই স্পীড ব্রেকার, সাইনবোর্ড ঝুলিয়েই দায় সারলেন সড়ক কর্তৃপক্ষ
*********************************
আলফাডাঙ্গা লোকাল বাস স্ট্যান্ড থেকে পরিবহন বাস স্ট্যান্ড, চৌরাস্তা হতে বাকাইল মোড়,কলেজ গেইট হতে চৌয়াল্লিশের মোড়, চৌরাস্তা, থানা, জামে মসজিদ হয়ে উপজেলা গেইট ও গার্লস হাইস্কুল পর্যন্ত কোথাও নেই স্পীড ব্রেকার বা জেব্রা ক্রসিং। সারাদিন পুরুষ মহিলা, ভ্যান রিকশা, অটোরিকশা, ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল, ব্যক্তিমালিকানাধীন মোটর সাইকেল, বাস, ট্রাক, নসিমন আর কুঁজের উপর ফোঁড়া হিসেবে চলছে ইটবালি ও মাটি টানার অসংখ্য ট্রলি ও ট্রাক্টর।
এমনিতেই রাস্তাগুলি খুবই সরু আবার এর দুইপাশেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
বিশেষ করে হাসপাতাল রোডে নামীদামী, নামসর্বস্ব শখানেক বেসরকারি ডায়নোস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও হাসপাতাল, তিনটি ব্যাংক, বীমা, অনেক শোরুম ও বিভিন্ন কারখানা রয়েছে। যেখানে সকাল থেকে শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত অসংখ্য রোগী ও সাধারন মানুষ চলা ফেরা করে। হাসপাতালের পরেই সুনামধন্য সরকারী প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয় যেখানে দুই দেড় হাজার ছাত্রছাত্রীদের চলাফেরা,সেই সাথে ব্যাংকের গ্রাহক, পন্যের ক্রেতারা তো আছেই।
হাসপাতালে সুস্থ্য মানুষ আসেনা, আসে রোগীরা। যারা থাকেন দুর্বল। আবার এক রোগীর সাথে গড়ে তিনজন করে সংগী, কোন কোন সংগীর সাথে একহাতে হাটুর সমান একজন, কোলে একজন সেই সাথে গর্ভে একজন তো আছে এমন মহিলারাও আছে। বৃদ্ধ পুরুষ মহিলা তো আছেই। তাদের চলাফেরা যেমন অনিয়ন্ত্রিত, তেমনি যানবাহনের।
অথচ এই মহাব্যস্তময় সড়কগুলির কোথাও স্পীড বেকার বা জেব্রা ক্রসিং নাই। বিশেষ করে সকল হাসপাতাল, স্কুল কলেজ, ব্যাংক, চৌরাস্তা ও মসজিদগুলির সামনে।
যার কারনে প্রতিদিনই ঘটছে চরম ও মারাত্বক সড়ক দুর্ঘটনা। যে রকম হারে পংগুত্ব বরন করছে পায়ে চলাচলকারী, তেমনি ভাবেই যানবাহনে চলাচলকারী।
এর কি কোন প্রতিকার আমরা করতে পারি না?
মাননীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ, আলফাডাঙ্গা পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা প্রশাসন, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সিনিয়র সিটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি ও বিনীত নিবেদন করছি, দয়াকরে এর একটা ব্যবস্থা গ্রহন করুন।
কমাতে সাহায্য করুন প্রতিদিনের সড়ক দুর্ঘটনায় পংগুত্ব বরণকারী জনগনের সংখ্যা ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কোথাও নেই স্পীড ব্রেকার, সাইনবোর্ড ঝুলিয়েই দায় সারলেন সড়ক কর্তৃপক্ষ

প্রকাশ সময় : 08:21:10 am, Tuesday, 28 May 2019

কোথাও নেই স্পীড ব্রেকার, সাইনবোর্ড ঝুলিয়েই দায় সারলেন সড়ক কর্তৃপক্ষ
*********************************
আলফাডাঙ্গা লোকাল বাস স্ট্যান্ড থেকে পরিবহন বাস স্ট্যান্ড, চৌরাস্তা হতে বাকাইল মোড়,কলেজ গেইট হতে চৌয়াল্লিশের মোড়, চৌরাস্তা, থানা, জামে মসজিদ হয়ে উপজেলা গেইট ও গার্লস হাইস্কুল পর্যন্ত কোথাও নেই স্পীড ব্রেকার বা জেব্রা ক্রসিং। সারাদিন পুরুষ মহিলা, ভ্যান রিকশা, অটোরিকশা, ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল, ব্যক্তিমালিকানাধীন মোটর সাইকেল, বাস, ট্রাক, নসিমন আর কুঁজের উপর ফোঁড়া হিসেবে চলছে ইটবালি ও মাটি টানার অসংখ্য ট্রলি ও ট্রাক্টর।
এমনিতেই রাস্তাগুলি খুবই সরু আবার এর দুইপাশেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
বিশেষ করে হাসপাতাল রোডে নামীদামী, নামসর্বস্ব শখানেক বেসরকারি ডায়নোস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও হাসপাতাল, তিনটি ব্যাংক, বীমা, অনেক শোরুম ও বিভিন্ন কারখানা রয়েছে। যেখানে সকাল থেকে শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত অসংখ্য রোগী ও সাধারন মানুষ চলা ফেরা করে। হাসপাতালের পরেই সুনামধন্য সরকারী প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয় যেখানে দুই দেড় হাজার ছাত্রছাত্রীদের চলাফেরা,সেই সাথে ব্যাংকের গ্রাহক, পন্যের ক্রেতারা তো আছেই।
হাসপাতালে সুস্থ্য মানুষ আসেনা, আসে রোগীরা। যারা থাকেন দুর্বল। আবার এক রোগীর সাথে গড়ে তিনজন করে সংগী, কোন কোন সংগীর সাথে একহাতে হাটুর সমান একজন, কোলে একজন সেই সাথে গর্ভে একজন তো আছে এমন মহিলারাও আছে। বৃদ্ধ পুরুষ মহিলা তো আছেই। তাদের চলাফেরা যেমন অনিয়ন্ত্রিত, তেমনি যানবাহনের।
অথচ এই মহাব্যস্তময় সড়কগুলির কোথাও স্পীড বেকার বা জেব্রা ক্রসিং নাই। বিশেষ করে সকল হাসপাতাল, স্কুল কলেজ, ব্যাংক, চৌরাস্তা ও মসজিদগুলির সামনে।
যার কারনে প্রতিদিনই ঘটছে চরম ও মারাত্বক সড়ক দুর্ঘটনা। যে রকম হারে পংগুত্ব বরন করছে পায়ে চলাচলকারী, তেমনি ভাবেই যানবাহনে চলাচলকারী।
এর কি কোন প্রতিকার আমরা করতে পারি না?
মাননীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ, আলফাডাঙ্গা পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা প্রশাসন, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সিনিয়র সিটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি ও বিনীত নিবেদন করছি, দয়াকরে এর একটা ব্যবস্থা গ্রহন করুন।
কমাতে সাহায্য করুন প্রতিদিনের সড়ক দুর্ঘটনায় পংগুত্ব বরণকারী জনগনের সংখ্যা ।