মহব্বত জান চৌধূরী : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের উমরনগর মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে মাদরাসা চত্বরে এ নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে পর্ষদ কমিটির সদস্য, ছাত্র, অবিভাবক ও এলাকাবাসী মানব বন্ধন করেছেন। এসময় মানব বন্ধনে মাদরাসার সভাপতি এনামুল হকের বিভিন্ন প্রকার দূর্নীতি, অনিয়মের কথা তুলে ধরে বলেন, মাদরাসার সুপার, নৈশপ্রহরী,ও আয়া পদে একক ভাবে সভাপতি এনামুল হাসানের নেতৃত্বে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে এ নিয়োগ বাণিজ্য করেছে বলে বক্তারা বলেন। এব্যাপারে জেলা প্রসাশক কার্যালয়ে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মাদরাসার সাবেক সভাপতি দিনার আহমেদ, নির্বাচিত পর্ষদ কমিটির সদস্য ও ১নং ওয়ার্ডের সদস্য আবু দাউদ আমীন, মতিয়ার মোল্যা খাদিজা বেগম। এ অভিযোগে আরো বলা হয়, মাদ্রাসা সহ সুপার পদে কর্মরত আলী আহমদের নিকট থেকে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সুপার পদে নিয়োগ দিবে বলে পায়তারা করছেন। এছাড়াও চন্দনী গ্রামের মো. দবির শেখের ছেলে ইব্রাহিমকে নৈশপ্রহরী পদে এবং একই পদে নয়ানী পাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান শেখের ছেলে রুবেল শেখের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ও ফেলান নগর গ্রামের হেলালের স্ত্রী লিপিকে আয়া পদে নিয়োগের জন্য দুই লাখ টাকা নিয়েছেন। নিয়োগ অস্বচ্ছতা হওয়ায় ফরিদপুর জেলায় কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নম্বার ৩৬/২০।

মামলাটি চলমান থাকার পরেও চলতি মাসের ২০ তারিখে নিয়োগ প্রক্রিয়ার দিন ধার্য্যকরার কথা আছে বলে জানায় অভিযোগকারিগণ। অভিযোগকারী আবু সাইদ বলেন, এনামুল হক মাদরাসার পুরতন ঘর সহ গাছ বিক্রি করা দেড় লক্ষ টাকা এবং সাবেক সাংসদ সদস্য থাকা কালিন মাদরাসার গেট নির্মাণের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে, গেট না করে সে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। মানব বন্ধনে উপস্থিতি সকলের দাবী মাদ্রাসায় সকল পদে নিয়োগ ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে হয়। তার সাথে সঠিক ভাবে তদন্ত করে মাদরাসা পর্ষদের সভাপতি এনামুল হককে অপসারণ করে আইনের আওতায় আনার আহবান জানান।
মহব্বত জান চৌধূরী 













