তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৮ হাজার ছুঁয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫ হাজার ৮৯৪ জন নিহতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে সিরিয়ায় ১ হাজার ৯৩২ জন মারা গেছে বলে জানানো হয়েছে। তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে উভয় দেশের ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে শত শত পরিবার আটকা পড়ে আছে বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তেমনি সিরিয়ার এক শিশু ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে আকুতির সুরে বলছে, আমাকে এখান থেকে বের করুন… আমি আপনার দাসী হয়ে থাকবো। সেখান থেকে সিএনএনের সাংবাদিক রাজা রাজেক এবং হিলারি হোয়াইটম্যান এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার দুই শিশু ভবনের কনক্রিটের মাঝে আটকা পড়ে ছিল। ৩৬ ঘণ্টা পর উদ্ধারকর্মীরা তাদের উদ্ধারে উত্তর সিরিয়ার তাদের বাড়ির কাছে পৌঁছায়।
সেখানকার বড় শিশুটি উদ্ধারকর্মীদের বলে, আমাকে এখান থেকে বের করুন, আপনাদের জন্য সব করে দিব, আপনার দাসী হয়ে থাকব। এর জবাবে এক উদ্ধারকর্মী উত্তর দেন, না, না।
এ ছাড়া উদ্ধারকর্মীরা শিশুদের শক্তিশালী ও কান্না না করতে বলেন। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অনুমান করছে, তুরস্ক এবং সিরিয়াজুড়ে আড়াই কোটিরও বেশি মানুষ এই ভূমিকম্পের শিকার হয়েছেন।
দুটি দেশেই হাজার হাজার ভবন ধসে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের বাঁচাতে উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। উত্তর সিরিয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া লোকজন সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি করছেন কিন্তু তাদের ডাকে সাড়া দেওয়ার মতো প্রায় কেউ নেই।
স্টাফ রিপোর্টার 



















