দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন পাকিস্তানি ঘরোয়া ক্রিকেটার আসিফ আফ্রিদি। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ৩৬ বছর বয়সী বাঁহাতি স্পিনারের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিরবিরোধী নীতি লঙ্ঘন বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর আসিফের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ আনা হয়। তখন তাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে পিসিবি। তার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের পাকিস্তান কাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছিল। টুর্নামেন্টের রানার্সআপ খাইবার পাখতুনখাওয়ার হয়ে খেলেছিলেন এই স্পিনার। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে পিসিবি।
এ প্রসঙ্গেন গতকাল রাতে পিসিবি চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা পিসিবির জন্য আনন্দের কোনো খবর নয়। কিন্তু এ ধরনের অপরাধের জন্য আমাদের শূন্য-সহনশীলতার নীতি রয়েছে।’
আফিসের শাস্তিকে দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন পিসিবি প্রধানকর্তা। তার ভাষায়, ‘খেলাটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আমাদের উদাহরণ তৈরি করতে হয়। এ ধরনের বিষয়গুলোকে শক্তভাবে পরিচালনা করে ক্রিকেটারদের প্রতি কঠোর বার্তা পাঠানো জরুরি। এটা তিক্ত একটা সত্য যে, দুর্নীতি আমাদের খেলার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
নাজাম যোগ করেন, ‘পিসিবি খেলোয়াড়দের শিক্ষার বিষয়ে অনেক বিনিয়োগ করছে যাতে ক্রিকেটাররা সতর্ক থাকেন, যাতে দুর্নীতিকে নির্মূল করা যায়। ক্রিকেটারদের সতর্ক করতে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকার পরও কোনো খেলোয়াড় যদি লোভের শিকার হয় তাহলে তার প্রতি পিসিবির কোনো সহানুভূতি নেই।’
আসিফ অবশ্য কখনো পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি। তবে গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোম সিরিজে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে দলে রাখা হয়েছিল তাকে। বাঁহাতি স্পিনার ৩৫টি প্রথম শ্রেনি ও ৬৫টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন। সবমিলিয়ে ২৪০টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। পিএসএলে মুলতান সুলতান্সের হয়ে খেলেছিলেন আসিফ।
স্টাফ রিপোর্টার 





















