Dhaka 8:57 pm, Thursday, 16 April 2026
নোটিস :
বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা হচ্ছে পাবনায় র‍্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন রংপুরে ডিজেলের অভাবে সেচ বন্ধ, বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির কোচিং ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করতে আসছে নতুন কৌশল: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার মিল্টন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির যোগ্যতা নির্ধারণ, প্রজ্ঞাপন জারি
শিরোনাম
বগুড়া জেলা জাসাস কতৃক আয়োজিত বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন তুরাগে ৪৪২ মোবাইল, প্রায় ৯ লাখ টাকা ও যন্ত্রাংশসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা রাজধানীতে মায়ের সামনে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩ কৃষক সচ্ছল থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে: প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা হচ্ছে পাবনায় র‍্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন কোনো চুক্তি ছাড়াই শান্তি আলোচনা ছাড়ল যুক্তরাষ্ট্র

আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর বাঁওড়ে নির্মিত হচ্ছে ভাসমান সেতু

সৈয়দ তারেক মোহাম্মদ অাব্দুল্লাহ :

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের টিটা খেয়া ঘাট এলাকায় ৮৫২ দৈর্ঘ্য ১২ ফুট প্রস্থের ভাসমান সেতু নির্মিত হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে টগরবন্দ ইউনিয়নের টিটা, টিটা পানাইল,পানাইল শিকার পুর,ইকরাইল ও কুতুমতিয়া গ্রাম বাওড়ের কারনে মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। এই ৬ গ্রামে ১২ হাজার মানুষের বসবাস,তাদের মূল ভূখন্ডে আসতে নৌকাই একমাত্র বাহন। এতে সময় ও অর্থ অপচয় হত। একটি সেতু নির্মানের জন্য দীর্ঘ দিন দাবী করে আসছিলো এলাকাবাসি। সেতু নির্মান কাজ তদারক করছেন টগরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান স্বপন তিনি বলেন এলাকার সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, স্থানীয় মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেও কোন কাজ হয় নাই। অবশেষে ব্যক্তি উদ্যোগে ৬০ জন ব্যক্তি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে কাজ শুরু হয়। ২০১৯ সালের ২২ শে নভেম্বর এই সেতুর কাজ শুরু হয়। এলাকাবাসি সেতুটির নামকরন করেছে স্বপ্নের সেতু। ইতিমধ্য সেতুটির ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে,বাকি কাজ ২০২০ সালের মার্চ মাসের মধ্য শেষ করার লক্ষ ঠিক করা হয়েছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৮৫২ টি ড্রাম ৬০ টন স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে সেতু।প্রতিদিন উৎসুক জনতা ভিড় করছে এই সেতুর কর্মযজ্ঞ দেখার জন্য। বেসরকারী ব্যাংক কর্মকর্তা মুকুল খানের ডিজাইনে সেতুটি নির্মিত হলে পর্যটকের জন্য হবে দর্শনীও স্থান।

Tag :

One thought on “আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর বাঁওড়ে নির্মিত হচ্ছে ভাসমান সেতু

Leave a Reply to Md Hridoy Hasan Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

কৃষি জমি নষ্ট করলে জেল-জরিমানা! কী বলছে আইন

আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর বাঁওড়ে নির্মিত হচ্ছে ভাসমান সেতু

প্রকাশ সময় : 01:41:02 pm, Monday, 17 February 2020

সৈয়দ তারেক মোহাম্মদ অাব্দুল্লাহ :

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের টিটা খেয়া ঘাট এলাকায় ৮৫২ দৈর্ঘ্য ১২ ফুট প্রস্থের ভাসমান সেতু নির্মিত হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে টগরবন্দ ইউনিয়নের টিটা, টিটা পানাইল,পানাইল শিকার পুর,ইকরাইল ও কুতুমতিয়া গ্রাম বাওড়ের কারনে মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। এই ৬ গ্রামে ১২ হাজার মানুষের বসবাস,তাদের মূল ভূখন্ডে আসতে নৌকাই একমাত্র বাহন। এতে সময় ও অর্থ অপচয় হত। একটি সেতু নির্মানের জন্য দীর্ঘ দিন দাবী করে আসছিলো এলাকাবাসি। সেতু নির্মান কাজ তদারক করছেন টগরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান স্বপন তিনি বলেন এলাকার সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, স্থানীয় মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেও কোন কাজ হয় নাই। অবশেষে ব্যক্তি উদ্যোগে ৬০ জন ব্যক্তি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে কাজ শুরু হয়। ২০১৯ সালের ২২ শে নভেম্বর এই সেতুর কাজ শুরু হয়। এলাকাবাসি সেতুটির নামকরন করেছে স্বপ্নের সেতু। ইতিমধ্য সেতুটির ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে,বাকি কাজ ২০২০ সালের মার্চ মাসের মধ্য শেষ করার লক্ষ ঠিক করা হয়েছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৮৫২ টি ড্রাম ৬০ টন স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে সেতু।প্রতিদিন উৎসুক জনতা ভিড় করছে এই সেতুর কর্মযজ্ঞ দেখার জন্য। বেসরকারী ব্যাংক কর্মকর্তা মুকুল খানের ডিজাইনে সেতুটি নির্মিত হলে পর্যটকের জন্য হবে দর্শনীও স্থান।